Home
Links
Bible Versions
Contact
About us
Impressum
Site Map


WoL AUDIO
WoL CHILDREN


Bible Treasures
Doctrines of Bible
Key Bible Verses


Afrikaans
عربي
Azərbaycanca
Bahasa Indones.
বাংলা
Български
Cebuano
Deutsch
English
Español
فارسی
Français
հայերեն
한국어
עברית
हिन्दी
Kiswahili
Кыргызча
മലയാളം
नेपाली
日本語
O‘zbek
Peul
Polski
Português
Русский
Srpski/Српски
தமிழ்
తెలుగు
ไทย
Türkçe
Українська
اردو
Uyghur/ئۇيغۇرچه
ייִדיש
Yorùbá
中文


ગુજરાતી
Hausa/هَوُسَا
Latina
Magyar
Norsk

Home -- Bengali -- Romans

This page in: -- Afrikaans -- Arabic -- Armenian -- Azeri -- BENGALI -- Bulgarian -- Cebuano -- Chinese -- English -- French -- Hebrew -- Hindi -- Indonesian -- Malayalam -- Polish -- Portuguese -- Russian -- Serbian -- Spanish -- Turkish -- Urdu -- Yiddish

Previous Book? -- Next Book?

রোমীয়দের - প্রভুই আমাদের ধার্মিকতা

রোমীয়দের কাছে হযরত পৌলের লেখা পত্রের ওপর পর্যালোচনা

Jump to Chapter: ০১ -- ০২ -- ০৩ -- ০৪ -- ০৫ -- ০৬ -- ০৭ -- ০৮
Jump to Chapter: ০৯ -- ১০ -- ১১ -- ১২ -- ১৩ -- ১৪ -- ১৫ -- ১৬

উদ্বোধন: সম্ভাষণ ও খোদার শুকরীয়া খোদার 'ধার্মিকতার ওপর' গুরুত্বারোপ করাই হলো এই পত্রের প্রধান লক্ষ্যবিন্দু (রোমীয় ১:১-১৭)
ক) সনাক্তকরণ ও আশির্বাদ বচন (রোমীয় ১:১-৭)
খ) হযরত পৌলের রোমে যাবার জন্য দীর্ঘ আকাঙ্খা (রোমীয় ১:৮-১৫)
গ) নিয়ত বিশ্বাসের ফলেই খোদার ধার্মিকতা আমাদের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত ও বাস্তবায়িত হয়ে থাকে (রোমীয় ১:১৬-১৭)
প্রথম খন্ড - খোদার ধার্মিকতা সকল পাপীকে দোষী সাব্যস্থ করে, আর মসিহের ওপর বিশ্বাসিদের ন্যায়বান ও আলাদা করে (রোমীয় ১:১৮ - ৮:৩৯)
ক - গোটা বিশ্ব দুষ্টচক্রের প্রভাবে পড়ে আছে, হচ্ছে পরিচালিত, খোদা তাঁর ধার্মিকতার আলোকে তাদের বিচার করবেন (রোমীয় ১:১৮ - ৩:২০)
১. জাতির বিরুদ্ধে খোদার গজব প্রকাশিত হয়েছে (রোমীয় ১:১৮-২১)

২. The Wrath of God is Revealed against the Jews (রোমীয় ২:১ - ৩:২০)
ক) যে কেউ অন্যের বিচার করে সে তো পরিষ্কার নিজেকে দোষী সাব্যস্থ করছে (রোমীয় ২:১-১১)
খ) শরীয়ত না বিবেক মানুষকে দংশন করে? (রোমীয় ২:১২-১৬)
গ) জ্ঞানের দ্বারা নয় মানুষ রক্ষা পায় কাজের ফলে (রোমীয় ২:১৭-২৪)
ঘ) ত্বকচ্ছেদ রুহানি বিষয়ে কোনো হিতকর নয় (রোমীয় ২:২৫-২৯)

ঙ) ইহুদিদের প্রতি বিশেষ অনুগ্রহ খোদার ক্রোধ থেকে তাদের রক্ষা করতে পারেনি (রোমীয় ৩:১-৮)
৩. সকলেই বিনষ্ট এবং দোষী (রোমীয় ৩:৯-২০)
বি - ইমানের দ্বারা নতুন ধার্মিকতা লাভের সুযোগ রয়েছে সবার জন্য খোলা (রোমীয় ৩:২১ - ৪:২২)
১. মসিহের অভিষিক্ত মৃতু্যর মাধ্যমে খোদার ধার্মিকতার প্রকাশ ঘটেছে (রোমীয় ৩:৩১-২৬)
২. আমরা মসিহের ওপর বিশ্বাসে ন্যায়বান বলে প্রতিপন্ন হয়েছি (রোমীয় ৩:২৭-৩১)

৩. ইমানে নির্দোষ বলে গৃহিত হবার উত্তম দৃষ্টান্ত হলো হযরত ইব্রাহীম ও দায়ুদ নবী (রোমীয় ৪:১-২৪)
ক) কেবলমাত্র বিশ্বাসের কারণেই হযরত ইব্রাহীমকে ধার্মিক বলে গ্রহন করা হয় (রোমীয় ৪:১-৮)
খ) খত্‍নার দ্বারা মানুষ ধার্মিক বলে গণ্য হয় নি (রোমীয় ৪:৯-১২)
গ) আমরা নাজাত পেয়েছি খোদার রহমতে, শরীয়ত পালনের দ্বারা নয় (রোমীয় ৪:১৩-১৮)
ঘ) ইব্রাহীমের সাহসিকতাপূর্ণ বিশ্বাস আমাদের জন্য দৃষ্টান্ত (রোমীয় ৪:১৯-২২)

সি - ন্যায়বান ঘোষণার অর্থ হলো খোদা ও মানুষের সাথে একটি নতুন সম্পর্ক স্থাপন করা (রোমীয় ৫:১-২১)
১. শান্তি, প্রত্যাশা এবং প্রেম বিশ্বাসীদে জীবনে থাকে সদা বিরজমান (রোমীয় ৫:১-৫)
২. পুনরুত্থিত মসিহ তাঁর ধার্মিকতার পূর্ণতা আমাদের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করেন (রোমীয় ৫:৬-১১)
৩. মসিহের রহমত মৃতু্য, পাপ ও শরীয়তের উপর বিজয় লাভ করে (রোমীয় ৫:১২-২১)

ডি - পাপের ক্ষমতা থেকে খোদার শক্তি আমাদের উদ্ধার করেন (রোমীয় ৬:১ - ৮:২৭)
১. The Believer Considers Himself Dead to Sin (রোমীয় ৬:১-১৪)
২. শরীয়তের কবল থেকে মুক্তি পাপের করাল গ্রাস থেকে অব্যাহতি বয়ে আনে (রোমীয় ৬:১৫-২৩)

৩. শরীয়তের গ্রাস থেকে মুক্তির অর্থ মসিহের পক্ষে সেবাদানের সুযোগ (রোমীয় ৭:১-৬)
৪. শরীয়ত চুপিসারে গুণাহগারদের গুণাহের কথাই বলে (রোমীয় ৭:৭-১৩)
৫. পাপের পথে মসিহকে ব্যতিত মানুষ সর্বদা ব্যর্থ হতে বাধ্য (রোমীয় ৭:১৪-২৫)

৬. মসিহের মাধ্যেমেই মানুষ অপরাধ, পাপ, মৃতু্যর কবল থেকে পায় মুক্তি (রোমীয় ৮:১-১১)
৭. আমরা খোদার সন্তান হতে পেরেছি আমাদের মধ্যে পাকরূহের উপস্থিতির কারণে (রোমীয় ৮:১২-১৭)
৮. তিনটি গভীর আর্তনাদ (রোমীয় ৮:১৮-২৭)
ঙ - আমাদের বিশ্বাস চিরকালের জন্য স্থায়ী (রোমীয় ৮:২৮-৩০)
১. খোদার নাজাতদানের পরিকল্পনা দাবি জানায় আমাদের জন্য আগত গৌরব (রোমীয় ৮:২৮-৩০)
২. মসিহের সত্য নিশ্চয়তা দেয় সমস্ত প্রকার সমস্যা থাকা সত্ত্বেও আমাদের সহভাগিতা রয়েছে খোদার সাথে (রোমীয় ৮:৩১-৩৯)

দ্বিতীয় খণ্ড - খোদার বাছাই করা বংশ হযরত ইয়াকুবের সন্তানদের মন কঠিন করা সত্ত্বেও তাঁর ধার্মিকতা সম্পূর্ণ অনড়৷ (রোমীয় ৯:১ - ১১:৩৬)
১. পৌলের উদ্বেগ তাঁর হারিয়ে যাওয়া লোকদের জন্য (রোমীয় ৯:১-৩)
২. মনোনীত লোকদের জন্য রুহানি অধিকার (রোমীয় ৯:৪-৫)
৩. ইস্রায়েলের অধিকাংশ লোকজনও যদি খোদার বিরুদ্ধে চলে যায় তবুও খোদা থাকবেন ধার্মিক (রোমীয় ৯:৬-২৯)
ক) খোদার প্রতিজ্ঞা কেবল ইব্রাহীমের ঔরষজাত সন্তানদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবার নয় (রোমীয় ৯:৬-১৩)
খ) যাদের ওপর তাঁর করুনা রয়েছে তাদেরকেই খোদা বেঁছে নেন, যাকে চান তিনি তার হৃদয় কঠিন করে দেন (রোমীয় ৯:১৪-১৮)
গ) কুমার ও তার হাতে নির্মিত পাত্রের দৃষ্টান্ত ইহুদি ও মসিহিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য (রোমীয় ৯:১৯-২৯)

৪. খোদার ধার্মিকতা কেবল বিশ্বাসেই হয় লব্ধ আর তা কখনোই শরীয়ত পালনের দ্বারা অর্জণ করা সম্ভব নয় (রোমীয় ৯:৩০ - ১০:২১)
ক) ইহুদিরা খোদার ধার্মিকতাকে তুচ্ছজ্ঞান করেছে, যা কেবল বিশ্বাসহেতু হয় লব্ধ৷ তারা ধার্মিকতা অর্জনের জন্য শরীয়তের ও কর্মের ওপর স্থির প্রতিজ্ঞ রয়েছে (রোমীয় ৯:৩০ - ১০:৩)
খ) খোদার আশির্বাদ অন্যান্য জাতির চেয়ে ইস্রায়েল জাতির ওপর অধিক থাকার কারণেই ইস্রায়েল জাতির পাপাচারের মাত্রা মারাত্মক হয়েছিল (রোমীয় ১০:৪-৮)
গ) ইয়াকুবের বংশের কাছে সুসমাচার প্রচার অত্যাবশ্যক হয়ে দাঁড়িয়েছে (রোমীয় ১০:৯-১৫)
ঘ) ইস্রায়েল জাতি নিজেরাই কি দায়ী তাদের অবিশ্বাসের জন্য? (রোমীয় ১০:১৬-২১)

৫. ইয়াকুবের বংশের লোকদের প্রত্যাশা (রোমীয় ১১:১-৩৬)
ক) পবিত্র বংশের শেষাংশ অবিশষ্ট থাকবে৷ (রোমীয় ১১:১-১০)
খ) অইহুদিরে প্রতি নাজাত প্রদানে ইহুদিদের অথর্াত্‍ ইয়াকুবের সন্তানদের মনে কোনো ঈর্ষা প্রতিযোগিতা জাগার সম্ভাবনা আছে কি? (রোমীয় ১১:১১-১৫)
গ) অইহুদিদের মধ্য থেকে বিশ্বাসীদের সাবধান করতে হবে ইয়াকুবের সন্তানদের সম্বন্ধে (রোমীয় ১১:১৬-২৪)
ঘ) যুগের শেষ দিকে ইয়াকুবের বংশের নাজাত প্রদানের রহস্য (রোমীয় ১১:২৫-৩২)
ঙ) সাহাবিদের আরাধনা (রোমীয় ১১:৩৩-৩৬)

তৃতীয় পার্ট - খোদার ধার্মিকতা মসিহের সাহাবীদের জীবনাচরণের মধ্য দিয়ে প্রতিভাত হয়েছে৷ (রোমীয় ১২:১ - ১৫:১৩)
১. জীবনের মুক্তপাপ অবস্থা প্রতিষ্ঠা পায় খোদার ওপর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে (রোমীয় ১২:১)
২. অহংকারী হয়ো না, যে দান খোদা তোমাদের দিয়েছেন বিশ্বাসীদের নিয়ে প্রভুর সেবাকর্মে লেগে থাকো (রোমীয় ১২:৩-৮)
৩. ভ্রাতৃপ্রেম আমাদের শেখা প্রয়োজন এবং তদানুযায়ী নিজেদের গড়ে তোলা দরকার৷ (রোমীয় ১২:৯-১৬)
৪. তোমাদের শত্রম্ন ও বিরম্নদ্ধবাদীদের মহব্বত করো (রোমীয় ১২:১৭-২১)

৫. তোমরা কর্তৃপক্ষের অধিনস্থ থাকো (রোমীয় ১৩:১-৬)
৬. মানুষ সংক্রানত্ম হুকুমের সারকথা (রোমীয় ১৩:৭-১০)
৭. মসিহের পুনরায় ফিরে আসার বিষয়ক জ্ঞানের বাসত্মবফল (রোমীয় ১৩:১১-১৪)

৮. রোমের জামাতের বিশেষ সমস্যা (রোমীয় ১৪:১-১২)
৯. গুরম্নত্বহীন বিষয় নিয়ে তোমার প্রতিবেশিকে রাগান্বিত করো না (রোমীয় ১৪:১৩-২৩)

১০. অনভিপ্রেত সমস্যা নিয়ে পরিপক্ক বিশ্বাসীদের কি ধরণের আচরণ করা উচিত? (রোমীয় ১৫:১-৫)
১১. ইহুদি ও অন্যান্য জাতির মধ্য থেকে আগত বিশ্বাসীদের মধ্যে যে বিভেদ ছিল মসিহ তা দূর করে দিয়েছেন (রোমীয় ১৫:৬-১৩)
তৃতীয় খন্ডের পারশিষ্ট - রোমের জামাতের নেতাদের প্রতি পৌলের বিশেষ ইচ্ছা৷ (রামীয় ১৫:১৪ - ১৬:২৭)
১. এ পত্রটি লেখার যোগ্যতা পৌলের রয়েছে (রোমীয় ১৫:১৪-১৬)
২. পৌলের প্রচার রহস্য (রোমীয় ১৫:১৭-২১)
৩. পৌলের প্রচার অভিযান যা প্রত্যাশা করেছিলেন (রোমীয় ১৫:২২-৩৩)

৪. পৌলের জানা মতো রোমের জামাতের সাধুদের নামের তালিকা (রোমীয় ১৬:১-৯)
৫. পৌলের জানা মতো রোমের জামাতের সাধুদের নামের তালিকার বিসত্মৃত বিবরণ (রোমীয় ১৬:১০-১৬)
৬. প্রতারকদের বিষয়ে সাবধানবাণী (রোমীয় ১৬:১৭-২০)
৭. পৌলের সহকমর্ীদের পক্ষ থেকে অভিবাদন জ্ঞাপন (রোমীয় ১৬:২১-২৪)
৮. এ পত্রটি শেষ করার সময় পৌল তার কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন (রোমীয় ১৬:২৫-২৭)

www.Waters-of-Life.net

Page last modified on February 25, 2014, at 01:53 PM | powered by PmWiki (pmwiki-2.2.50)